ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

গন্তব্যে পৌঁছাতে রিকশাই একমাত্র ভরসা

রিপোর্টার: The Daily Moon
গন্তব্যে পৌঁছাতে রিকশাই একমাত্র ভরসা
ছবির ক্যাপশন: গন্তব্যে পৌঁছাতে রিকশাই একমাত্র ভরসা

করোনা প্রতিরোধে লকডাউন দেওয়া হলেও সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের অফিস খোলা রয়েছে। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন চাকরিজীবী মানুষ। বাধ্য হয়ে অধিকাংশ মানুষ ব্যবহার করছেন রিকশা। রাজধানীতে এখন চলাচলের একমাত্র অবলম্বন হয়ে উঠেছে বাহনটি। ভাড়া দ্বিগুণ কিংবা তিনগুণ, তা না ভেবে বরং গন্তব্যে পৌঁছানোই মুখ্য বিষয় হয়ে উঠেছে অনেকের কাছে।

মঙ্গলবার (২৯ জুন) রাজধানীর শুক্রাবাদ, কলাবাগান, পান্থপথ, সায়েন্সল্যাব এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সড়কে দৈনন্দিন কাজের জন্য মানুষের চলাচল অন্য সব দিনের মতোই দেখা গেছে। কেবল নেই গণপরিবহন তথা বাস।

সড়কজুড়ে দেখা গেছে ব্যক্তিগত গাড়ি- প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের আধিপত্য। যাদের চলাচলের নিজস্ব ব্যবস্থা নেই, তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে ভাড়া করছেন রিকশা কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশা। তবে সিএনজির ভাড়া তুলনামূলক বেশি হওয়ায় রিকশাতেই ঝুঁকেছেন বেশিরভাগ মানুষ। কিন্তু যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, সুযোগ বুঝে অতিরিক্ত ভাড়া হাঁকছেন রিকশাচালকরা। নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে আগে যে পরিমাণ টাকা লাগত, এখন তার চেয়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ ভাড়া দিতে হচ্ছে।

রিকশায় গন্তব্যে যাওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী নিজ নিজ অফিসের ব্যবস্থাপনায় কর্মী আনা-নেওয়া করার নির্দেশনা অনেক প্রতিষ্ঠান মানছে না। এর ফলে সংকট তৈরি হয়েছে।

অফিস শেষে বাসায় ফেরার জন্য পান্থপথ মোড়ে রিকশার জন্য অপেক্ষারত একজনের সাথে কথা বলে আমাদের সহকর্মী, তিনি বলেন, অফিস থেকে বলা হয়েছে, প্রত্যেক কর্মচারীকে নিজ দায়িত্বে অফিসে আসতে হবে এবং যেতে হবে। অফিসের পক্ষে গাড়ি ভাড়া করে জনবল আনা নেওয়া সম্ভব নয়। এ অবস্থায় আমরা পড়েছি বিপাকে। রিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া লাগলেও কিছুই করার নেই, বাধ্য হয়েই আসতে হচ্ছে।

রিকশাচালকরা বলছেন, অতিরিক্ত ভাড়া নয়, বরং সামনে কঠোর লকডাউনে যখন সবকিছুই বন্ধ করে দেওয়া হবে তখন জীবনযাপনের জন্য কিছু অতিরিক্ত টাকা আয়ের চেষ্টা করছেন তারা।

কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডে কথা হয় রিকশাচালক আলাউদ্দিন হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, গতকাল (সোমবার) সারাদিনে ৬০০ টাকা আয় হয়েছে। এর মধ্যে ১৫০ টাকা জমা দিতে হয়েছে গ্যারেজে আর খাবার বাবদ খরচ হয়েছে ১০০ টাকা। গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী ও পরিবার-পরিজন রয়েছে, তাদের টাকা পাঠাতে হয়। সামনে আবার কঠোর লকডাউন আসছে। তখন সবকিছু বন্ধ থাকবে। তাহলে আমরা কীভাবে চলব?

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সোমবার (২৮ জুন) থেকে সরকার ঘোষিত সীমিত পরিসরের লকডাউন চলছে। এই লকডাউনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিকশা ছাড়া সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ থাকবে। সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল দিয়ে। সেক্ষেত্রে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কর্মী আনা-নেওয়া করতে হবে।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300