ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

রমজানের কিছু বিশেষ আমল

রিপোর্টার: The Daily Moon
রমজানের কিছু বিশেষ আমল
ছবির ক্যাপশন: রমজানের কিছু বিশেষ আমল

রমজান সিয়াম-সাধনার মাস। এ মাস রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস। তাকওয়া অর্জনের সর্বোত্তম মাস হলো রমজান। এ মাসে ইবাদত পালনের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা সম্ভব। রমজানের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া অর্জন। এ মাসে আমল করলে একটি কাজের জন্য ৭০ বা তার চেয়েও বেশি নেকি পাওয়া যায়। রমজানে কিছু বিশেষ ইবাদত পালনের মাধ্যমে অধিক পূণ্য লাভ করা সম্ভব।

  • রমজানে সিয়াম পালন করা। । এ মাসের সবচেয়ে বড় ইবাদত হলো সিয়াম তথা রোজা। সিয়াম পালন না করলে ব্যক্তি কাফের হয়ে যায়।
  • নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করা। কেবল রমজানেই নয় সব সময় নামাজ আদায় করা আবশ্যক। একটি ফরজ বিধান।
  • তাজবীদসহ কুরআন মাজিদ তেলাওয়াত করা। রমজানকে বলা হয় কুরআন নাযিলের মাস। তাই এ মাসের মর্যাদা অধিক। সারাবছর বিভিন্ন ব্যস্ততায় হয়তো নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত করা সম্ভব হয় না কিন্তু রমজান মাসে ব্যস্ততা কম থাকায় বেশি বেশি তেলাওয়াত করা যায়।
  • অন্যদের কুরআন পড়া শেখানো যেতে পারে। মহানবী (স) কুরআন শিক্ষা দান করাকে সর্বোত্তম ইবাদত বলে উল্লেখ করেছেন।
  • অন্যকে ইফতার করানো। হাদিসে এসেছে, ‘যে অন্যকে ইফতার করাবে, ওই রোজাদারের সওয়াবের সমপরিমাণ সওয়াব সে লাভ করবে। তবে রোজাদারের সওয়াবে কোনো কমতি হবে না’।
  • তারাবির সালাত আদায় করা। তারাবির সালাত রমজানের একটি অন্যতম সুন্নত ইবাদত।
  • বেশি বেশি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা। নিজ কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা পার্থনা করা।
  • দান সাদাকার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া। গরিব মিসকিনদের খাবার প্রদান করা।
  • তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া। প্রয়োজনে সেহরিতে একটু তাড়াতাড়ি উঠা, দুই-চার রাকাত সালাত পড়ে নেওয়া যেতে পারে।
  • মানুষের সাথে উত্তম আচরণ করার অভ্যাস গড়ে তোলা। চরিত্র গঠনের অনুশীলন করা। নৈতিকতার পরিচর্চা করা।
  • বেশি বেশি আল্লাহর কাজে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
  • জাকাত আদায় করা । কারণ এ মাসে প্রতিটি কাজে ৭০ বা তার অধিক পূর্ণ লাভ করা যায়।
  • নিকট আত্মীয়দের খোঁজ খবর রাখা। আত্মীয়তার সম্পর্ক বৃদি্ধ করা।
  • চোখ , কান , জবানের হেফাজত করা।
ad728
মন্তব্য করুন
ad300