ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

সিরিজ হেরেছি মানে এই না, সব হেরে গিয়েছি : মুমিনুল

রিপোর্টার: The Daily Moon
সিরিজ হেরেছি মানে এই না, সব হেরে গিয়েছি : মুমিনুল
ছবির ক্যাপশন: সিরিজ হেরেছি মানে এই না, সব হেরে গিয়েছি : মুমিনুল

দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে শ্রীলঙ্কা স্বাগতিক দল হলেও শক্তিমত্তার বিচারে পিছিয়ে ছিল না বাংলাদেশ দল। তবে মাঠের লড়াই দিল ভিন্ন। শ্রীলঙ্কার তরুণ দুই স্পিনারের কাছে দিশেহারা অধিনায়ক মুমিনুল হকের দল। অভিষিক্ত প্রভিন জয়াবিক্রমা একাই নিয়েছেন ১১ উইকেট। ২০৯ রানে দ্বিতীয় টেস্ট হেরে সিরিজ হারিয়েছে বাংলাদেশ দল।

পড়ুন:ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২ ম্যাচের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ হারের পর কাঠগড়ায় সাদা পোশাকে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স। তবে সিরিজ হারলেও অতৃপ্ত নন মুমিনুল। ম্যাচ শেষে ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে এসে মুমিনুল জানালেন, এই সফর থেকে অনেক ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন তিনি।

মুমিনুল বলেন, ‘অবশ্যই প্রাপ্তির কিছু না কিছু আছে। আমরা সিরিজ হেরেছি এর মানে এই না যে সব কিছু হেরে গিয়েছি। হয়তো একটু সমালোচনা হবে, অনেকেই অনেক কথা বলবে। এর ভেতরেও অনেক ইতিবাচক দিক আছে আমার কাছে মনে হয়।’

শুরুতেই দলীয় প্রচেষ্টাকে সামনে আনলেন মুমিনুল, ‘প্রথম টেস্টে আমি যেটা সব সময় চাচ্ছিলাম যে দলগতভাবে খেলব, যেটা আমরা শেষ ২-১টি টেস্ট ম্যাচে খেলতে পারিনি। আমার কাছে মনে হয় প্রথম টেস্টে আমরা দল হিসেবে খেলতে পেরেছি। আমরা তখনই ভালো খেলি যখন আমরা দলগতভাবে খেলতে পারি।’

দল হিসেবে ভালো করতে গেলে নিজ নিজ জায়গা থেকে পারফর্ম করতে হবে খেলোয়াড়দের। সেদিক থেকে সিরিজ হারলেও অধিনায়কের পাশ মার্ক পাচ্ছেন তামিম ইকবাল, তাইজুল ইসলামরা। ব্যাট হাতে ধারাবাহিক না হওয়া এবং উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারলেও অধিনায়কের বাহবা পাচ্ছেন মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস।

মুমিনুল জানান, ‘তামিম ভাইয়ের দুটি ৯০ আছে, একটি ৭০ আছে। শান্তর একটি ১৬৩ আছে, মুশফিক ভাই ও লিটনের হাফ সেঞ্চুরি আছে। তাইজুলের ৫ উইকেট আছে। আমার কাছে মনে হয় যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আপনারাও হয়তো অপেক্ষায় ছিলেন এটার কোন পেসার কি কিছু করতে পারছে কিনা, সেই হিসেবে তাসকিনকে দেখেছেন। অনেক উন্নতি করেছে। আমার কাছে মনে হয় অনেক ইতিবাচক দিক আছে এই টেস্ট সিরিজে।’

ad728
মন্তব্য করুন
ad300